জানুয়ারিতেই ইউনিক আইডি পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থী

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিন্ন পরিচয়পত্র প্রদানের প্রকল্প নেয়া হয়েছে অনেক আগেই। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে স্থবির ছিলো এ কার্যক্রম। দীর্ঘ অপেক্ষার পর আগামী বছরের শুরুতেই ১ কোটি ৬০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে অভিন্ন পরিচয়পত্র (ইউনিক আইডি) দেয়া হবে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে ইউনিক আইডি প্রকল্প পরিচালক শামছুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ শেষ পর্যয়ে আছে। আমরা হার্ডকপি সংগ্রহ করছি। আগামী সপ্তাহ থেকে সফটওয়্যারে এসব তথ্য এন্ট্রি দেয়া শুরু হবে। তিনি আশা করেন জানুয়ারির শুরুতে শিক্ষার্থীর হাতে ইউনিক আইডি তুলে দেয়া হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ইউনিক আইডিতে ধর্মীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে অপশন ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য উল্লেখ করার পাশাপাশি ‘নট এ বিলিভার’ ও ‘রিফিউজ টু ডিসক্লোজ’ অপশন রাখা হয়েছে। এছাড়া জেন্ডার সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ইতোপূর্বে ‘লিঙ্গ’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এবার ‘জেন্ডার’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। এবং অপশন হিসেবে পুরুষ ও নারীর পাশাপাশি ‘অন্যান্য’ যুক্ত করা হয়েছে। ইউনিক আইডিতে ১০ বা ১৬ ডিজিটের শিক্ষার্থী শনাক্ত নম্বর যুক্ত থাকবে। পরে ডেটাবেসে যুক্ত এসব তথ্য ওই শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় আলাদা করে তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হবে না।

ইউনিক আইডির জন্য কাজ করছে তিনটি সংস্থা:

শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি নিয়ে কাজ করছে সরকারের তিনটি সংস্থা। সংস্থা তিনটি হলো নির্বাচন কমিশনের এনআইডি, রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (ওআরজি) এবং বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস)।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কিছু কারিগরি ত্রুটি রয়ে গেছে। এই সমস্যা না থাকলে যে সিস্টেম ডেভোলপ করা হয়েছে তাতে ডাটা এন্ট্রির সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা ইউআইডি পেয়ে যেতো। ইউনিক আইডি সরবরাহ করবে এনআইডি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কারিগরি ত্রুটি ও সমন্বয়হীনতার কারণে এ কাজে সময় লাগছে।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক শামছুল আলম বলেন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের সমস্যাটির দ্রুত সমাধান হলে ডিসেম্বরেও শিক্ষার্থীদের ইউআইডি দেয়া যেতো। তবে আমরা আশা করছি সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীদের হাতে তা তুলে দেয়া হবে।

About Bangla Gov Jobs

Check Also

নেই চেয়ারম্যান ও সিনিয়র শিক্ষক, পরীক্ষা বর্জন ও আন্দোলন করছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি: প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে হলো উচ্চশিক্ষা অর্জন করা। উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে সবথেকে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। তবে এক্ষেত্রে অনেকটা ব্যতিক্রম গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকার কারণে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *